Menu
পবিত্র যমযম কূপের পানি পান করার পদ্ধতি

পবিত্র যমযম কূপের পানি পান করার পদ্ধতি

সব ধরনের খাদ্য-দ্রব্য ও পানীয় বসে খাওয়া সুন্নাত। আর যমযম কূপের পানি দাঁড়িয়ে পান করলে কোন গুনাহ হবে না। তবে আদবের খেলাফ হবে। কেননা, এটা পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র ও বরকতময় পানি।

জমজম থেকে পানি পানকারী ব্যক্তির জন্য সুন্নত হলো পুরোপুরিভাবে পরিতৃপ্ত হয়ে পান করা। ফকিহগণ জমজমের পানি পানের কিছু আদব উল্লেখ করেছেন, যেমন- কিবলামুখী হওয়া, বিসমিল্লাহ বলা, তিন শ্বাসে পান করা, পরিতৃপ্ত হওয়া, শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা ইত্যাদি।  জমজমের পানি পান করার সময় একটি বড় কাজ হলো দোয়া করা। 

জমজম কূপের পানি পান করার পদ্ধতি
বর্তমানে এভাবেই জমজমের পানি ৫ লিটার করে বিমানে হাজী সাহেবরা নিয়ে আসতে পারেন

মোদ্দাকথা, যে আমল নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যেভাবে প্রমাণিত আছে, সেটা সেভাবে করাই সুন্নাত।

সেখানে আমাদের বিবেক বিবেচনা অর্থহীন।
যমযমের পানি পান করার সময় এ দু‘আ পড়া সুন্নাতঃ

اللّٰهُمَّ إِنِّيْٓ  أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَّرِزْقًا وَّاسِعًا وَّشِفَآءً مِنْ كُلِّ دَآءٍ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান নাফিয়াও ওয়া রিযকাও ওয়াসিআও ওয়াশিফাআম মিন কুল্লি দায়ি

জমজমের পানি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে পান করেছেন। তাই জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করাকে উত্তম মনে করা হয়। তবে এভাবে জমজমের পানি পান করা জরুরি নয়।

তবে স্বাভাবিক অবস্থায় অন্যান্য পানি দাঁড়িয়ে পান করাকে মাকরূহে তানজিহী। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে পানি পান করাতে নিষেধ করেছেন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে এবং তার কিছু সাহাবির দাঁড়িয়ে পানি করা সম্পর্কিত হাদীস পাওয়া যায়। যা প্রমাণ করে দাঁড়িয়ে পানি পান করা হারাম বা মাকরূহে তাহরীমি নয়। 

হজরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করেছেন। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-২০২৭)

আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মূলত ভীড়ের কারণেই যমযম দাঁড়িয়ে পান করেছেন এটি কোনো সুনিশ্চিত ও চূড়ান্ত কথা নয় এবং তা হাদীস ও আছার দ্বারা প্রমাণিতও নয়; বরং ফিকহ ও হাদীসবিশারদগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দাঁড়িয়ে যমযম পান করার সম্ভাব্য কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছেন। তন্মধ্যে একটি ভীড়ের কারণকেও উল্লেখ করেছেন। তারা আরো যে সমস্ত কারণকে উল্লেখ করে থাকেন তা হল,

১. যমযম পানি দাঁড়িয়ে পান করাও যে জায়েয তা বুঝানোর জন্য।

২. বসার যথাযথ ব্যবস্থা না থাকা অর্থাৎ পান করার স্থানটি ভেজা বা স্যঁতস্যঁতে হওয়ার কারণে তিনি দাঁড়িয়ে পান করেছেন।

সুতরাং এ সব কারণের মধ্যে শুধু একটিকে গ্রহণ করে বাকিগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া আদৌ ঠিক নয়।

আমরা বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বৈধ হজ লাইসেন্স এবং আইটিএ অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ।আপনার বিশ্বস্ত ট্রাভেল এজেন্ট

যোগাযোগঃ ইমু ও হোয়াটসএপ 📲01711165606 ,📲01715595991

▶ ঢাকা অফিসঃ ৫১/১ ভিআইপি টাওয়ার,লেভেল -৫,ভিআইপি রোড,নয়াপল্টন ,ঢাকা।

▶কেরানীগঞ্জ অফিসঃ ২৭১ নং জিলা পরিষদ মার্কেট পূর্ব আগানগর,দক্ষিন কেরানীগঞ্জ,ঢাকা।

আমাদের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক টেলিগ্রাম চ্যানেলে আপনি এড হয়ে নিয়মিত এই রকম আরো মাসলা মাসায়েল জানতে

ক্লিক করুন এখানে

হোয়াটস এপে জয়েন করতে ক্লিক করুন

salamsony

Alhamdulliha
View All Articles
Contact Us On WhatsApp