Menu
The most important things for a Japan visa, which the visa officer checks very carefully, and no matter from which country you apply for a Japan visa

জাপান ভিসা গাইডলাইন যাহা না জানলে আপনি ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা কম

জাপান ভিসার জন্য যেসব বিষয় সবচেয়ে বেশি দরকারি, যেগুলো visa officer খুব মনোযোগ দিয়ে চেক করে, এবং আপনি যে দেশ থেকেই Japan visa apply করুন না কেন—যেগুলোতে বেশি খেয়াল রাখবেন তা হলো:

which country you apply for a Japan visa
which country you apply for a Japan visa

জাপান ভিসা গাইডলাইন – যা যা জানতেই হবে

(বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে)

১. ট্যাক্স ডকুমেন্টস

Tax (বাংলাদেশ হলে ৩ বছরের return tax অবশ্যই থাকতে হবে। দেশের বাইরে থেকে হলে tax এর ব্যাপার মোটামুটি online system হয়ে থাকে। online copy অথবা নিকটস্থ social security office বা finance department থেকে tax clearance certificate বা statement নিয়ে নেবেন। এটা খুবই সহায়ক। tax clearance না হলে ফাইল জমা নেবে না, আপনার ব্যাংকে ১০০ কোটি টাকা থাকলেও লাভ নেই।)

  • বাংলাদেশ থেকে আবেদন করলে: গত ৩ বছরের ট্যাক্স রিটার্ন বাধ্যতামূলক।
  • বিদেশ থেকে আবেদন করলে: সাধারণত অনলাইনে ট্যাক্স সিস্টেম থাকে। অনলাইন কপি বা নিকটস্থ Social Security Office / Finance Department থেকে Tax Clearance Certificate বা Statement সংগ্রহ করুন।
  • ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স ছাড়া ফাইল গ্রহণ করবে না—আপনার ব্যাংকে ১০০ কোটি টাকা থাকলেও লাভ নেই।

২. ভ্রমণের উদ্দেশ্য (Cover Letter)

Japan-এ কেন যেতে চাইছেন সেটা ভালোভাবে cover letter-এ লিখে দেবেন। তারা জানে যে আপনি tourist purpose-এর জন্য apply করবেন, কিন্তু “আমি একজন tourist, আমি অনেকগুলো দেশ ঘুরেছি, আমি Japan-এ tourist হিসেবে যাব”—এগুলো common কথা। unique কিছু লিখবেন, এমনভাবে বোঝাবেন যে অন্য কোনো দেশ রেখে Japan-এ কেন visit করবেন। stay of purpose-এর একটি আলাদা পয়েন্ট করে লিখবেন।

  • শুধু “আমি একজন টুরিস্ট, অনেক দেশ ঘুরেছি” লিখলেই হবে না।
  • লিখতে হবে কেন বিশেষভাবে জাপানে যেতে চান এবং অন্য দেশ বাদ দিয়ে জাপান বেছে নেওয়ার কারণ।
  • “Stay of Purpose” শিরোনামে আলাদা করে বিস্তারিত লিখুন।

জাপান ট্রাভেল প্ল্যান (Itinerary)
জাপান ট্রাভেল প্ল্যান (Itinerary)

৩. ট্রাভেল প্ল্যান (Itinerary)

Travel plan (তাদের official format-এ itinerary form download করে সেখানে সুন্দরভাবে day by day সাজাবেন—কোন airlines-এর কোন flight-এ যাবেন সবকিছু mention করবেন। শুধু famous জায়গাগুলো লিখবেন না যে এগুলো দেখতে যাবেন। আপনার hotel booking কোথায় করা, সেখান থেকে আশেপাশের famous জায়গা দিয়ে শুরু করবেন। আর Tokyo ছাড়া আরও ২টি city add করবেন—প্রতিটি city-তে ন্যূনতম ৩ দিন থাকবেন। এভাবে plan সাজাবেন যাতে ticket কেটে দেখতে হয় এমন place কম দেখান, আর free যেগুলো visit করা যায় সেগুলো বেশি highlight করুন। তবে এর মানে এই না যে একেবারে সব free visit place লিখবেন। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা, এক city থেকে অন্য city, এমনকি airport থেকে hotel-এ কীভাবে যাবেন, সবকিছু itinerary-তে লিখবেন।)

  • Official Form ডাউনলোড করে Day-by-Day পরিকল্পনা লিখুন।
  • কোন AirlinesFlight Number-এ যাবেন তা উল্লেখ করুন।
  • শুধু বিখ্যাত জায়গা নয়—হোটেলের কাছের ভ্রমণস্থানও যুক্ত করুন।
  • টোকিও ছাড়াও কমপক্ষে ২টি শহর যুক্ত করুন, প্রতিটিতে ন্যূনতম ৩ দিন থাকার পরিকল্পনা রাখুন।
  • ব্যয়বহুল টিকিট-নির্ভর গন্তব্য কম এবং বিনামূল্যে ভিজিটযোগ্য স্থান বেশি রাখুন (তবে সব ফ্রি প্লেস নয়)।
  • এক শহর থেকে অন্য শহরে, এয়ারপোর্ট থেকে হোটেলে—সব রুট পরিকল্পনায় যুক্ত করুন।

৪. এয়ার টিকিট রিজার্ভেশন

Air ticket reservation (live PNR-সহ নিজে airlines-এর official site-এ check করে নেবেন জমা দেওয়ার আগে, এবং ন্যূনতম যাতে ৩–৫ দিন online active থাকে সেভাবে book করবেন। ফাইল যেদিন জমা দেবেন সেদিন সকালে reservation করাই ভালো।)

  • লাইভ PNR চেক করুন এবং ফাইল জমা দেওয়ার আগে নিশ্চিত করুন যে বুকিং অন্তত ৩–৫ দিন সক্রিয় থাকবে।
  • ফাইল জমা দেওয়ার দিন সকালে রিজার্ভেশন করা সবচেয়ে ভালো।

৫. চাকরিজীবীদের জন্য NOC

Job holder হলে official paper-এ stamp এবং HR department-এর sign-সহ NOC নেবেন। (NOC-তে ৩টি জিনিস অবশ্যই mention থাকতে হবে—আপনার profession, আপনার net salary, আপনার joining date।)

  • অফিসিয়াল স্ট্যাম্পHR সাইন থাকতে হবে।
  • NOC-তে অবশ্যই উল্লেখ থাকবে:
    1. আপনার পেশা
    2. আপনার নেট বেতন
    3. আপনার যোগদানের তারিখ

৬. ইন্টারভিউ প্রস্তুতি

Interview-এর preparation নিয়ে যাবেন। (বাংলাদেশে বর্তমানে VFS-এ ফাইল নেয়, তাই যেদিন জমা দেবেন সেদিন interview নেবে না, কিন্তু যেকোনো সময় visa process চলাকালীন আপনার কাছে call আসতে পারে—তাই always prepared থাকবেন এবং mobile-এ travel itinerary save করে রাখবেন। বাংলাদেশ থেকে interview call এলে itinerary সম্পর্কে বেশি inquiry করবে, তাই itinerary মুখস্থ করে রাখাই ভালো। দেশের বাইরে যেখানে direct embassy আছে, সেখানে জমা দিলে অবশ্যই interview নেবে—কখনও shortly, কখনও long time ধরে অনেক কিছু জিজ্ঞাসা করবে। সবকিছু confident ভাবে answer দেবেন। প্রতিটি documents আপনার সামনে check করবে, তাই সব documents সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা নিয়ে যাবেন। তাদের requirement অনুযায়ী documents না দিতে পারলে আপনার file accept করবে না।)

  • বাংলাদেশে VFS ফাইল গ্রহণ করে, তবে প্রসেস চলাকালে ফোনে ইন্টারভিউ হতে পারে।
  • ইন্টারভিউতে মূলত Itinerary নিয়ে প্রশ্ন করবে—তাই মুখস্থ রাখুন।
  • বিদেশে সরাসরি এম্বেসিতে ফাইল জমা দিলে সেদিনই ইন্টারভিউ হবে, যা কখনও ছোট আবার কখনও দীর্ঘ হতে পারে।
  • প্রতিটি ডকুমেন্ট সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে যান, নইলে ফাইল গ্রহণ নাও করতে পারে।

৭. ব্যাংক স্টেটমেন্ট

Bank statement (দয়া করে কোনো online bank statement নেবেন না—direct যে bank-এর account, সেই bank-এর office থেকে statement নেবেন, অবশ্যই bank-এর seal এবং bank officer-এর sign থাকতে হবে। অনেক জায়গায় online statement নিলে file return করে দেয়। Bank-এ কত টাকা দেখাতে হবে? একেবারে বেশি নয় আবার কমও নয়—যে ticket reservation দেবেন তার original price, যে hotel booking দেবেন তার price per day, প্রতিদিন 100 USD খরচ করার মতো amount—এগুলো সব মেলিয়ে, যা আসে তার থেকে ২–৩ লাখ টাকা extra দেখালেই হয়। Job holder হলে আপনার salary যে account-এ আসে, সবসময় চেষ্টা করবেন সেই account statement দিতে।)

  • অনলাইন কপি নয়—সরাসরি ব্যাংক থেকে সিল ও স্বাক্ষরসহ সংগ্রহ করুন।
  • দেখানোর পরিমাণ:
    • টিকিট রিজার্ভেশনের আসল দাম
    • হোটেলের প্রতিদিনের খরচ
    • প্রতিদিন 100 USD ব্যয়ের সক্ষমতা
    • উপরোক্ত মোট টাকার সঙ্গে অতিরিক্ত ২–৩ লাখ টাকা দেখানো যথেষ্ট।
  • চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে—যে অ্যাকাউন্টে বেতন আসে সেটার স্টেটমেন্ট দেওয়া ভালো।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ

Last কথা, Japan একটি first world country এবং মোটামুটি expensive, তাই আগে নিজেকে নিজে judge করুন যে আপনি Japan visa পাওয়ার যোগ্য কিনা—তারপর apply করুন। “আমি এত দেশ ঘুরেছি, এত টাকা bank-এ আছে”—এগুলো Japan embassy গোনায়ও ধরে না। ভাই, অনেকগুলো দেশ ঘোরা অবশ্যই একটি plus point—এতে আপনি আর্থিক সচ্ছল তা প্রমাণ হয়। গরিব, মেসকিন মানুষ তো আর এতগুলো দেশ ঘুরতে পারে না। কিন্তু Asia-র কয়েকটা দেশ ঘুরেই Japan-এর visa application করাটা আমার মতে বোকামি হবে। তবে আপনার profile ঠিক থাকলে fresh passport-এও visa পাবেন।

  • জাপান একটি First World Country এবং ব্যয়বহুল—নিজেকে যাচাই করুন আপনি যোগ্য কিনা।
  • শুধু অনেক দেশ ভ্রমণ করা বা ব্যাংকে বেশি টাকা থাকলেই ভিসা মেলে না।
  • গ্রিন পাসপোর্টে সমস্যা নেই—সমস্যা হয় ভুল ফাইল বা অসম্পূর্ণ ডকুমেন্টে।
  • এজেন্সির মাধ্যমে ভুলভাবে আবেদন করে রিজেকশন বাড়ানোর বদলে নিজে প্রস্তুতি নিয়ে আবেদন করুন।

শেষ কথা:

অনেকে বলবে green passport-এ visa দেয় না, rejection দেয় বেশি—আমি এতগুলো দেশ ঘুরলাম, আমারটা reject করল। আর ভাই, green passport-এর কোনো সমস্যা নেই—মূলত documents এবং embassy ও visa officer আপনার শত্রু নয়। আপনারা শুধু green passport-এর rejection দেখেন, কিন্তু যে লোক rejection খেয়েছে তার file গুলো কি check করেছেন? আমি অনেকের reject file দেখেছি—যেগুলো বলার মতো নয়—visa পাওয়ার যোগ্য লোক visa পায়নি কারণ ঠিকমতো file সাজিয়ে submit করেনি। ওই file গুলো আপনি নিজে দেখলেও আপনিও visa দিতেন না। Agency দিয়ে visa করাতে গিয়ে খালি খালি rejection history বাড়ানো সবচেয়ে ভালো নিজের visa নিজে apply করাই ভালো। আমি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে এই তথ্যগুলো শেয়ার করলাম। আশা করি কারও উপকারে আসবে। কেউ যদি জাপান ভিসা নিয়ে বিস্তারিত সহায়তা চান—আমি বিনামূল্যে সাহায্য করতে প্রস্তুত।

আমরা বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বৈধ হজ লাইসেন্স এবং আইটিএ অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ।আপনার বিশ্বস্ত ট্রাভেল এজেন্ট

যোগাযোগঃ ইমু ও হোয়াটসএপ 📲01711165606 ,📲01715595991

▶ ঢাকা অফিসঃ ৫১/১ ভিআইপি টাওয়ার,লেভেল -৫,ভিআইপি রোড,নয়াপল্টন ,ঢাকা।

▶কেরানীগঞ্জ অফিসঃ ২৭১ নং জিলা পরিষদ মার্কেট পূর্ব আগানগর,দক্ষিন কেরানীগঞ্জ,ঢাকা।

আমাদের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক টেলিগ্রাম চ্যানেলে আপনি এড হয়ে নিয়মিত এই রকম আরো মাসলা মাসায়েল জানতে

ক্লিক করুন এখানে

সর্বশেষ আপডেটের জন্য, আপনি আমাদের ✅WhatsApp গ্রুপ বা ☑️ টেলিগ্রাম চ্যানেলে যোগ দিতে পারেন।

Zilhajj Group Bangladesh

Alhamdulliha
View All Articles